বাকির খাতা
কে কত টাকা বাকি রেখেছে, কবে থেকে — সব এক তালিকায়। টাকা এলে এক ট্যাপে জমা।
দোকানের সব হিসাব এক অ্যাপে, সহজ বাংলায়।
কাগজের খাতায় বাকির হিসাব হারিয়ে যায়, তাগাদা দিতে সংকোচ লাগে, মাস শেষে লাভ-ক্ষতি মেলে না।
খাতা ভিজে গেলে, ছিঁড়ে গেলে বা হারিয়ে গেলে হিসাবটাও যায়
কে কত দিন ধরে বাকি রেখেছে — মুখস্থ রাখতে হয়
মাস শেষে লাভ হলো না ক্ষতি, নিশ্চিত করে বলা যায় না
পাকা খাতায় প্রতিটা বাকি, প্রতিটা বিক্রি লেখা থাকে সার্ভারে।
ফোন হারালেও হিসাব হারায় না।
রেজিস্ট্রেশনে দোকানের ধরনটা বেছে নিন। পণ্যের ক্যাটাগরি, ব্র্যান্ড আর খরচের খাত — তিনটা তালিকাই সেই ধরন অনুযায়ী আগে থেকে সাজানো এসে যায়, শূন্য থেকে শুরু করতে হয় না।
মুদি দোকান
ফার্মেসি
ইলেকট্রনিক্স
মোবাইল ও এক্সেসরিজ
কাপড় ও পোশাক
জুতা ও স্যান্ডেল
হার্ডওয়্যার
রড, সিমেন্ট ও নির্মাণসামগ্রী
স্যানিটারি
সার, বীজ ও কীটনাশক
ফার্নিচার
শোপিস ও উপহার
কসমেটিকস
স্টেশনারি
বেকারি, মিষ্টি ও ফাস্ট ফুড
জেনারেল স্টোর
অন্যান্য
আপনার দোকানের ধরন ঠিক এই তালিকায় নেই? “অন্যান্য” বেছে নিন — অ্যাপের একটা কাজও আটকাবে না, পরে বদলেও নেওয়া যায়।
যা যা রোজ লাগে — আর যা যা দোকান বড় হলে লাগবে।
কে কত টাকা বাকি রেখেছে, কবে থেকে — সব এক তালিকায়। টাকা এলে এক ট্যাপে জমা।
বিক্রি লিখতে লাগে সেকেন্ড। রসিদ ছাপানো যায় পেয়ার করা ব্লুটুথ প্রিন্টারে।
দোকান খোলা রেখেই করা যায়।
ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন। এক মিনিটও লাগে না।
পুরোনো খাতা থেকে একবার তুলে নিন। এরপর থেকে সব অ্যাপেই।
রোজকার বিক্রি লিখলে রিপোর্ট নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যায়।
যে স্ক্রিনগুলো রোজ লাগবে।
আপনার দোকান, এক নজরে
কে কত দেবে — মুখস্থ রাখা শেষ
এক ট্যাপে WhatsApp তাগাদা
বিক্রি লিখতে লাগবে সেকেন্ড
স্টক ফুরানোর আগে জানুন
মাস শেষে হিসাব মিলবেই
প্রতিটা রিপোর্ট একটা প্রশ্নের উত্তর দেয় — যে প্রশ্নগুলো দোকানে রোজই ওঠে।
বিক্রয় সারাংশ
কত বিক্রি হলো, কত নগদ এলো, কত বাকি রইলো
লাভ-ক্ষতি
বিক্রয় থেকে পণ্যের খরচ বাদ দিলে কত থাকে
সবচেয়ে বেশি বিক্রীত পণ্য
কোন পণ্য কত বিকোচ্ছে, কোনটায় লাভ বেশি
টাকা কীভাবে এলো
নগদ, মোবাইল ব্যাংকিং, কার্ড আর বাকির ভাগ
বাকির বয়স
কার টাকা কত দিন ধরে আটকে আছে
মজুদের মূল্য
দোকানে এখন কত টাকার মাল আছে
কেনাকাটার সারাংশ
কত কিনলেন, সাপ্লায়ারকে কত দেনা
ভ্যাট হিসাব
বিক্রয়ের ভ্যাট থেকে ফেরত ও ক্রয়ের ভ্যাট বাদ
কর্মীর বিক্রয়
কে কত বিক্রি করলো
ক্যাশ ড্রয়ার মিলেছে কি না
শিফট শেষে টাকা কম না বেশি ছিল
তারিখের সীমা একবার বেছে নিলে দশটা রিপোর্টই সেই সময়ের হিসাব দেখায়।
মুখে বলতে সংকোচ লাগে। বার্তা পাঠানো সহজ — আর সেটা আপনার নিজের ভাষায় যায়।
কী লেখা যাবে তা আপনি ঠিক করবেন — দোকানের নাম, টাকার অঙ্ক আর আপনার নিজের বলার ধরন।
যেটা গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়, সেটাই বেছে নিন।
অ্যাপ নিজে থেকে কাউকে বার্তা পাঠায় না। আপনি না চাইলে কিছুই যাবে না।
SMS পাঠাতে আলাদা প্যাকেজ লাগে। WhatsApp-এ ফোনের নিজের অ্যাপ খোলে।
১৪ দিন চালিয়ে দেখুন, তারপর যেটা মানায় বেছে নিন।
নতুন দোকান ১৪ দিনের ট্রায়াল পায়।
প্ল্যানের তালিকা এখন দেখানো যাচ্ছে না। অ্যাপ থেকে দেখে নিন।
কোনো অটো-রিনিউ নেই — মেয়াদ শেষ হলে আপনি নিজে নবায়ন করবেন।
বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট
ওয়েবে পেমেন্ট শীঘ্রই চালু হচ্ছে।
অ্যাপ নামিয়ে দোকানের নাম দিলেই হলো।
অ্যাপটি এখনো Google Play-তে প্রকাশ করা হয়নি। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এই বোতাম থেকে নামানো যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও ট্যাবলেট
অ্যান্ড্রয়েড ৭.০ বা তার পরের সংস্করণ
না। হিসাব সার্ভারে রাখা হয়, তাই অ্যাপ চালাতে ইন্টারনেট লাগে। এর সুবিধা হলো ফোন হারালে বা বদলালেও হিসাব থেকে যায়।
এখন অ্যান্ড্রয়েড ফোন আর Windows কম্পিউটারে। আইফোনের সংস্করণ নিয়ে এখনো কোনো ঘোষণা নেই।
না। আপনার লেখা সব হিসাব দেখতে পারবেন। শুধু নতুন বিক্রি লেখা, পণ্য-শাখা-কর্মী-কাউন্টার যোগ করা — এই কাজগুলোর জন্য চালু প্ল্যান লাগে।
না। কোনো অটো-রিনিউ নেই। মেয়াদ শেষ হলে প্ল্যানটা শেষ হয়ে যায়, আপনি চাইলে নিজে নবায়ন করবেন।
না। কোন গ্রাহককে কখন বার্তা যাবে, সেটা আপনি ঠিক করেন। অ্যাপ নিজে থেকে কাউকে কিছু পাঠায় না।
লাগবে না, রসিদ ছাড়াও বিক্রি লেখা যায়। প্রিন্টার থাকলে ফোনে আগে থেকে পেয়ার করা ব্লুটুথ প্রিন্টারে ছাপা যায়।
তথ্য যায় এনক্রিপ্টেড সংযোগে আর থাকে সুরক্ষিত সার্ভারে। আপনার ডেটা বিজ্ঞাপনের জন্য কারো কাছে বিক্রি হয় না, আর অ্যাপে কোনো বিজ্ঞাপনের কোড নেই।